1وفيما هو مجتاز رأى انسانا اعمى منذ ولادته.
1যীশু পথে হাঁটছিলেন, সেই সময় তিনি একজন লোককে দেখতে পেলেন য়ে জন্ম থেকেই অন্ধ৷
2فسأله تلاميذه قائلين يا معلّم من اخطأ هذا أم ابواه حتى ولد اعمى.
2যীশুর অনুগামীরা তাঁকে জিজ্ঞেস করল, ‘গুরু, কার পাপে এ অন্ধ হয়ে জন্মেছে? এর পাপে অথবা এর বাবা-মার পাপে?’
3اجاب يسوع لا هذا اخطأ ولا ابواه لكن لتظهر اعمال الله فيه.
3যীশু বললেন, ‘এই লোকটির বা এর বাবা-মার পাপের জন্য য়ে এ অন্ধ হয়ে জন্মেছে তা নয়, বরং এই ব্যক্তি অন্ধ হয়ে জন্মেছে যাতে আমি যখন তাকে সুস্থ করি, তখন লোকে ঈশ্বরের শক্তির প্রকাশ দেখতে পায়৷
4ينبغي ان اعمل اعمال الذي ارسلني ما دام نهار. يأتي ليل حين لا يستطيع احد ان يعمل.
4যতক্ষণ দিন আছে ততক্ষণ যিনি আমায় পাঠিয়েছেন তাঁর কাজ আমাদের করে য়েতে হবে৷ যখন রাত আসবে তখন আর কেউ কাজ করতে পারবে না৷
5ما دمت في العالم فانا نور العالم
5আমি যতক্ষণ এই জগতে আছি, আমিই এই জগতের আলো৷’
6قال هذا وتفل على الارض وصنع من التفل طينا وطلى بالطين عيني الاعمى.
6এই কথা বলার পর তিনি মাটিতে থুতু ফেললেন৷ আর মুখের সেই লালা দিয়ে মণ্ড তৈরী করে, তা অন্ধ লোকটির চোখে লাগিয়ে দিলেন৷
7وقال له اذهب اغتسل في بركة سلوام. الذي تفسيره مرسل. فمضى واغتسل وأتى بصيرا
7এরপর যীশু সেই অন্ধ লোকটিকে বললেন, ‘শীলোহ সরোবরে গিয়ে ধুয়ে ফেল৷ (‘শীলোহ’ অনুবাদ করলে এই নামের অর্থ ‘প্রেরিত’৷)’ তখন সে গিয়ে ধুয়ে ফেলল আর দৃষ্টিশক্তি লাভ করে ফিরে এল৷
8فالجيران والذين كانوا يرونه قبلا انه كان اعمى قالوا أليس هذا هو الذي كان يجلس ويستعطي.
8তখন সেই লোকটির প্রতিবেশীরা ও যাঁরা তাকে ভিক্ষা করতে দেখত তারা বলল, ‘এ কি সেই লোক নয় য়ে বসে বসে ভিক্ষা করত?’
9آخرون قالوا هذا هو. وآخرون انه يشبهه. واما هو فقال اني انا هو.
9[This verse may not be a part of this translation]
10فقالوا له كيف انفتحت عيناك.
10তখন তারা তাকে বলল, ‘তুমি কি করে দৃষ্টিশক্তি লাভ করলে?’
11اجاب ذاك وقال. انسان يقال له يسوع صنع طينا وطلى عينيّ وقال لي اذهب الى بركة سلوام واغتسل. فمضيت واغتسلت فابصرت.
11সে এর উত্তরে বলল, ‘যীশু নামের লোকটি মণ্ড তৈরী করে, আমার চোখে তা লাগিয়ে দিলেন, আর বললেন, ‘শীলোহ সরোবরে যাও ও তোমার চোখ ধুয়ে ফেল৷’ তখন আমি গেলাম ও ধুয়ে ফেললাম আর তখনই দৃষ্টিশক্তি লাভ করলাম৷”
12فقالوا له اين ذاك. قال لا اعلم
12তারা তাকে বলল, ‘সেই যীশু কোথায়?’ সে বলল, ‘আমি জানি না৷’
13فأتوا الى الفريسيين بالذي كان قبلا اعمى.
13য়ে লোকটি আগে অন্ধ ছিল তাকে তারা ফরীশীদের কাছে নিয়ে গেল৷
14وكان سبت حين صنع يسوع الطين وفتح عينيه.
14য়ে দিন যীশু মণ্ড তৈরী করে ঐ লোকটির চোখে লাগিয়ে তাকে দৃষ্টিশক্তি দান করেন, সে দিনটি ছিল বিশ্রামবার৷
15فسأله الفريسيون ايضا كيف ابصر. فقال لهم وضع طينا على عينيّ واغتسلت فانا أبصر.
15তাই ফরীশীরা আবার তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি কিভাবে তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেলে?’ লোকটি উত্তর দিল, ‘তিনি মণ্ড তৈরী করে আমার চোখে লাগিয়ে দিলেন, আমি চোখ ধুয়ে ফেলবার পর দেখতে পেলাম৷’
16فقال قوم من الفريسيين هذا الانسان ليس من الله لانه لا يحفظ السبت. آخرون قالوا كيف يقدر انسان خاطئ ان يعمل مثل هذه الآيات. وكان بينهم انشقاق.
16ফরীশীদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, ‘এই লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে আসে নি, কারণ এ বিশ্রামবারের নিয়ম মানে না৷’ আবার অন্যরা বলল, ‘একজন পাপী কিভাবে এই সব অলৌকিক কাজ করতে পারে?’ তাই এই নিয়ে তাদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল৷
17قالوا ايضا للاعمى ماذا تقول انت عنه من حيث انه فتح عينيك. فقال انه نبي.
17এরপর ইহুদী নেতারা অন্ধ লোকটিকে আবার জিজ্ঞেস করল, ‘য়ে লোকটি তোমার দৃষ্টিশক্তি দিয়েছে, তার বিষয়ে তুমি কি বল?’ লোকটি বলল, ‘তিনি একজন ভাববাদী৷’
18فلم يصدق اليهود عنه انه كان اعمى فأبصر حتى دعوا ابوي الذي ابصر.
18লোকটির বাবা-মাকে না ডাকা পর্যন্ত ইহুদীরা বিশ্বাস করতে চাইল না য়ে, সে অন্ধ ছিল আর এখন দৃষ্টিশক্তি লাভ করেছে৷
19فسألوهما قائلين أهذا ابنكما الذي تقولان انه ولد اعمى. فكيف يبصر الآن.
19তারা তার বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করল, ‘এই কি তোমাদের সেই ছেলে যার বিষয়ে তোমরা বলে থাক য়ে, সে অন্ধ হয়ে জন্মেছে? তাহলে এ কিভাবে এখন দেখতে পাচ্ছে?’
20اجابهم ابواه وقالا نعلم ان هذا ابننا وانه ولد اعمى.
20এর উত্তরে তার বাবা-মা বলল, ‘আমরা জানি এ আমাদের ছেলে, আর এ অন্ধই জন্মেছিল৷
21واما كيف يبصر الآن فلا نعلم. او من فتح عينيه فلا نعلم. هو كامل السن. اسألوه فهو يتكلم عن نفسه.
21কিন্তু এখন কিভাবে দেখতে পাচ্ছে আমরা জানি না, আর এও জানি না য়ে কে একে দৃষ্টিশক্তি দিয়েছেন৷ একেই জিজ্ঞেস করুন! এর যথেষ্ট বয়স হয়েছে, নিজের বিষয় নিজে ভালোই বলতে পারবে৷’
22قال ابواه هذا لانهما كانا يخافان من اليهود. لان اليهود كانوا قد تعاهدوا انه ان اعترف احد بانه المسيح يخرج من المجمع.
22ইহুদী নেতাদের ভয়ে, তার বাবা-মা এই কথা বলল৷ কারণ ইহুদী নেতারা আগেই স্থির করেছিল য়ে কেউ যদি যীশুকে মশীহ বলে স্বীকার করে, তবে সে প্রার্থনা সভা থেকে বিতাড়িত হবে৷
23لذلك قال أبواه انه كامل السن اسألوه
23এ জন্যই তার বাবা-মা বলেছিল, ‘এর যথেষ্ট বয়স হয়েছে, আপনারা একেই জিজ্ঞেস করুন৷’
24فدعوا ثانية الانسان الذي كان اعمى وقالوا له اعطي مجدا لله. نحن نعلم ان هذا الانسان خاطئ.
24তাই য়ে অন্ধ ছিল, ইহুদী নেতারা তাকে দ্বিতীয় বার ডেকে বলল, ‘ঈশ্বরকে মহিমা প্রদান কর৷ সত্য বল আমরা জানি ঐ লোকটা পাপী৷’
25فاجاب ذاك وقال أخاطئ هو. لست اعلم. انما اعلم شيئا واحدا. اني كنت اعمى والآن ابصر.
25তখন য়ে অন্ধ ছিল সে বলল, ‘তিনি পাপী কি না তা আমি জানি না৷ আমি কেবল একটা বিষয় জানি, য়ে আমি অন্ধ ছিলাম, কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি৷’
26فقالوا له ايضا ماذا صنع بك. كيف فتح عينيك.
26তখন ইহুদী নেতারা তাকে বলল, ‘সে তোমাকে কি করেছিল? সে কিভাবে তোমাকে দৃষ্টিশক্তি দিল?’
27اجابهم قد قلت لكم ولم تسمعوا. لماذا تريدون ان تسمعوا ايضا ألعلكم انتم تريدون ان تصيروا له تلاميذ.
27সে তাদের বলল, ‘আমি আগেই তোমাদের বলেছি, কিন্তু তোমরা আমার কথা শোন নি৷ তবে আবার কেন শুনতে চাইছ? তোমরাও কি তাঁর শিষ্য হতে চাও?’
28فشتموه وقالوا انت تلميذ ذاك. واما نحن فاننا تلاميذ موسى.
28তখন তারা তাকে তাচ্ছিল্য় করে বলল, ‘তুই তার শিষ্য, কিন্তু আমরা মোশির শিষ্য৷
29نحن نعلم ان موسى كلمه الله. واما هذا فما نعلم من اين هو.
29আমরা জানি ঈশ্বর মোশির সঙ্গে কথা বলেছিলেন, কিন্তু এই লোকটা কোথা থেকে এসেছে তা আমরা জানি না৷’
30اجاب الرجل وقال لهم ان في هذا عجبا انكم لستم تعلمون من اين هو وقد فتح عينيّ.
30এর জবাবে লোকটি তাদের বলল, ‘কি আশ্চর্যের বিষয় য়ে, তিনি কোথা থেকে এসেছেন তা আপনারা জানেন না অথচ তিনি আমায় দৃষ্টিশক্তি দান করলেন৷
31ونعلم ان الله لا يسمع للخطاة. ولكن ان كان احد يتقي الله ويفعل مشيئته فلهذا يسمع.
31আমরা জানি য়ে ঈশ্বর পাপীদের কথা শোনেন না৷ কিন্তু ঈশ্বর তাঁর কথা শোনেন, য়ে ঈশ্বরের উপাসনা করে এবং ঈশ্বর যা চান তাই করে৷
32منذ الدهر لم يسمع ان احدا فتح عيني مولود اعمى.
32একজন জন্মান্ধকে কেউ য়ে দৃষ্টিশক্তি দান করেছে, একথা কেউ কোন দিন শোনে নি৷
33لو لم يكن هذا من الله لم يقدر ان يفعل شيئا.
33ঐ মানুষটি যদি ঈশ্বরের কাছ থেকে না আসতেন তবে তিনি কিছুই করতে পারতেন না৷’
34اجابوا وقالوا له في الخطايا ولدت انت بجملتك وانت تعلّمنا. فاخرجوه خارجا
34এর উত্তরে তারা তাকে বলল, ‘তুই তো পাপেই জন্মেছিস! আর তুই কিনা আমাদের শিক্ষা দিতে চাইছিস?’ তারপর তারা তাকে তাড়িয়ে দিল৷
35فسمع يسوع انهم اخرجوه خارجا فوجده وقال له أتؤمن بابن الله.
35যীশু শুনতে পেলেন য়ে ইহুদী নেতারা তাকে সমাজ-গৃহ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে৷ তখন যীশু তার দেখা পেয়ে তাকে বললেন, ‘তুমি কি মানবপুত্রের ওপর বিশ্বাস কর?’
36اجاب ذاك وقال من هو يا سيد لأومن به.
36সে উত্তর দিল, ‘মহাশয়, তিনি কে? আমায় বলুন, আমি য়েন তাঁকে বিশ্বাস করতে পারি৷’
37فقال له يسوع قد رأيته والذي يتكلم معك هو هو.
37যীশু তাকে বললেন, ‘তুমি তাঁকে দেখেছ আর তিনিই এখন তোমার সঙ্গে কথা বলছেন৷’
38فقال أومن يا سيد. وسجد له
38তখন সে বলল, ‘প্রভু, আমি বিশ্বাস করছি৷’ এবং সে তাঁর সামনে নতজানু হয়ে উপাসনা করল৷
39فقال يسوع لدينونة أتيت انا الى هذا العالم حتى يبصر الذين لا يبصرون ويعمى الذين يبصرون.
39যীশু বললেন, ‘বিচার করতে আমি এ জগতে এসেছি৷ আমি এসেছি যাতে যাঁরা দেখতে পায় না তারা দেখতে পায়, আর যাঁরা দেখতে পায় তারা য়েন অন্ধে পরিণত হয়৷’
40فسمع هذا الذين كانوا معه من الفريسيين وقالوا له ألعلنا نحن ايضا عميان.
40ফরীশীদের মধ্যে কয়েকজন যাঁরা যীশুর সঙ্গে ছিল, তারা একথা শুনে তাঁকে বলল, ‘নিশ্চয়ই আপনি বলতে চান নি য়ে আমরাও অন্ধ?’
41قال لهم يسوع لو كنتم عميانا لما كانت لكم خطية. ولكن الآن تقولون اننا نبصر فخطيتكم باقية
41যীশু তাদের বললেন, ‘তোমরা যদি অন্ধ হতে তাহলে তোমাদের কোন পাপই হত না৷ কিন্তু তোমরা এখন বলছ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাই তোমাদের পাপ রয়ে গেছে৷’