1في تلك الساعة تقدم التلاميذ الى يسوع قائلين فمن هو اعظم في ملكوت السموات.
1সেই সময় যীশুর শিষ্যরা তাঁর কাছে এসে বললেন, ‘প্রভু, স্বর্গরাজ্যের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কে?’
2فدعا يسوع اليه ولدا واقامه في وسطهم
2তখন যীশু একটি শিশুকে ডেকে তাঁদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে বললেন,
3وقال. الحق اقول لكم ان لم ترجعوا وتصيروا مثل الاولاد فلن تدخلوا ملكوت السموات.
3‘আমি তোমাদের সত্যি বলছি, যতদিন পর্যন্ত না তোমাদের মনের পরিবর্তন ঘটিয়ে এই শিশুদের মতো হবে, ততদিন তোমরা কখনই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না৷
4فمن وضع نفسه مثل هذا الولد فهو الاعظم في ملكوت السموات.
4তাই, য়ে কেউ নিজেকে নত-নম্র করে শিশুর মতো হয়ে ওঠে, সেই স্বর্গরাজ্যের মধ্যে শ্রেষ্ঠ৷
5ومن قبل ولدا واحدا مثل هذا باسمي فقد قبلني.
5‘আর য়ে কেউ এরকম কোন সামান্য সেবককে আমার নামে গ্রহণ করে, সে আমাকেই গ্রহণ করে৷
6ومن أعثر احد هؤلاء الصغار المؤمنين بي فخير له ان يعلق في عنقه حجر الرحى ويغرق في لجة البحر.
6এই রকম নম্র মানুষদের মধ্যে যাঁরা আমাকে বিশ্বাস করে, তাদের কারও বিশ্বাসে যদি কেউ বিঘ্ন ঘটায়, তবে তার গলায় ভারী একটা য়াঁতা বেঁধে সমুদ্রের অতল জলে তাকে ডুবিয়ে দেওয়াই তার পক্ষে ভাল হবে৷
7ويل للعالم من العثرات. فلا بد ان تأتي العثرات ولكن ويل لذلك الانسان الذي به تأتي العثرة.
7ধিক্ এই জগত সংসার! কারণ এখানে কত রকমেরই না প্রলোভনের জিনিস আছে৷ প্রলোভন জগতে থাকবে ঠিকই, কিন্তু ধিক্ সেই মানুষকে যার দ্বারা তা আসে৷
8فان اعثرتك يدك او رجلك فاقطعها وألقها عنك. خير لك ان تدخل الحياة اعرج او اقطع من ان تلقى في أتون النار الابدية ولك يدان او رجلان.
8তাই তোমার হাত কিংবা পা যদি তোমার প্রলোভনে পড়ার কারণ স্বরূপ হয়, তবে তা কেটে ফেল৷ দুহাত ও পা নিয়ে নরকের অনন্ত আগুনে পড়ার চেয়ে বরং নূলো বা খোঁড়া হয়ে অনন্ত জীবনে প্রবেশ করা ভাল৷
9وان اعثرتك عينك فاقلعها وألقها عنك. خير لك ان تدخل الحياة اعور من ان تلقى في جهنم النار ولك عينان.
9তোমার চোখ যদি তোমাকে প্রলোভনের পথে টেনে নিয়ে যায়, তবে তা উপড়ে ফেলে দিও৷ দুচোখ নিয়ে নরকের আগুনে পড়ার চেয়ে বরং কানা হয়ে অনন্ত জীবনে প্রবেশ করা তোমার পক্ষে ভাল৷
10انظروا لا تحتقروا احد هؤلاء الصغار. لاني اقول لكم ان ملائكتهم في السموات كل حين ينظرون وجه ابي الذي في السموات.
10‘দেখো, তোমরা আমার এই নম্র মানুষদের মধ্যে একজনকেও তুচ্ছ করো না, কারণ আমি তোমাদের বলছি য়ে স্বর্গে তাদের স্বর্গদূতেরা সব সময় আমার স্বর্গীয় পিতার মুখের দিকে চেয়ে আছেন৷
11لان ابن الانسان قد جاء لكي يخلّص ما قد هلك.
11[This verse may not be a part of this translation]
12ماذا تظنون. ان كان لانسان مئة خروف وضل واحد منها أفلا يترك التسعة والتسعين على الجبال ويذهب يطلب الضال.
12‘তোমরা কি মনে কর? যদি কোন লোকের একশোটি ভেড়া থাকে, আর তার মধ্যে যদি একটা ভুল পথে চলে যায় তবে সে কি নিরানব্বইটাকে পাহাড়ের ধারে রেখে দিয়ে সেই হারানো ভেড়াটা খুঁজতে যাবে না?
13وان اتفق ان يجده فالحق اقول لكم انه يفرح به اكثر من التسعة والتسعين التي لم تضل.
13আমি তোমাদের সত্যি বলছি, যখন সে সেইভেড়াটা খুঁজে পায় তখন য়ে নিরানব্বইটা ভুল পথে যায় নি, তাদের চেয়ে য়েটা হারিয়ে গিয়েছিল তাকে ফিরে পেয়ে সে বেশী আনন্দ করে৷
14هكذا ليست مشيئة امام ابيكم الذي في السموات ان يهلك احد هؤلاء الصغار
14ঠিক সেই ভাবে, তোমাদের পিতা যিনি স্বর্গে আছেন, তিনি চান না, য়ে এই ছোট্টদের মধ্যে একজনও হারিয়ে যায়৷
15وان اخطأ اليك اخوك فاذهب وعاتبه بينك وبينه وحدكما. ان سمع منك فقد ربحت اخاك.
15‘তোমার ভাই যদি তোমার বিরুদ্ধে কোন অন্যায় করে, তবে তার কাছে একান্তে গিয়ে তার দোষ দেখিয়ে দাও৷ সে যদি তোমার কথা শোনে, তবে তুমি তাকে আবার তোমার ভাই বলে ফিরে পেলে৷
16وان لم يسمع فخذ معك ايضا واحدا او اثنين لكي تقوم كل كلمة على فم شاهدين او ثلاثة.
16কিন্তু সে যদি তোমার কথা না শোনে, তবে আরো দু-একজনকে সঙ্গে নিয়ে তার কাছে যাও, য়েন ঐ দুজন কিংবা তিনজন সাক্ষীর কথায় প্রত্যেকটা বিষয় সত্য বলে প্রমাণিত হয়৷
17وان لم يسمع منهم فقل للكنيسة. وان لم يسمع من الكنيسة فليكن عندك كالوثني والعشار.
17সে যদি তাদের কথা শুনতে না চায়, তবে মণ্ডলীতে তা জানাও৷ আর সে যদি মণ্ডলীর কথাও শুনতে না চায়, তবে সে তোমার কাছে বিধর্মী ও কর আদায়কারীর মত হোক৷
18الحق اقول لكم كل ما تربطونه على الارض يكون مربوطا في السماء. وكل ما تحلّونه على الارض يكون محلولا في السماء.
18‘আমি তোমাদের সত্যি বলছি, পৃথিবীতে তোমরা যা বেঁধে রাখবে, স্বর্গেও তা বাঁধা হবে৷ আর পৃথিবীতে তোমরা যা খুলে দেবে স্বর্গেও তা খুলে দেওয়া হবে৷
19واقول لكم ايضا ان اتفق اثنان منكم على الارض في اي شيء يطلبانه فانه يكون لهما من قبل ابي الذي في السموات.
19‘আমি তোমাদের আবার বলছি, পৃথিবীতে তোমাদের মধ্যে দুজন যদি একমত হয়ে কোন বিষয় নিয়ে প্রার্থনা কর, তবে আমার স্বর্গের পিতা তাদের জন্য তা পূরণ করবেন৷
20لانه حيثما اجتمع اثنان او ثلاثة باسمي فهناك اكون في وسطهم
20একথা সত্য, কারণ আমার অনুসারীদের মধ্যে দুজন কিংবা তিনজন য়েখানে আমার নামে সমবেত হয়, সেখানে তাদের মাঝে আমি আছি৷’
21حينئذ تقدم اليه بطرس وقال يا رب كم مرة يخطئ اليّ اخي وانا اغفر له. هل الى سبع مرات.
21তখন পিতর যীশুর কাছে এসে তাঁকে বললেন, ‘প্রভু, আমার ভাই আমার বিরুদ্ধে কতবার অন্যায় করলে আমি তাকে ক্ষমা করব? সাত বার পর্যন্ত করব কি?’
22قال له يسوع لا اقول لك الى سبع مرات بل الى سبعين مرة سبع مرات.
22যীশু তাঁকে বললেন, ‘আমি তোমাকে বলছি, কেবল সাত বার নয়, কিন্তু সাতকে সত্তর দিয়ে গুণ করলে যতবার হয় ততবার৷’
23لذلك يشبه ملكوت السموات انسانا ملكا اراد ان يحاسب عبيده.
23‘স্বর্গরাজ্য এভাবে তুলনা করা যায়, য়েমন একজন রাজা যিনি তাঁর দাসদের কাছে হিসাব মিটিয়ে দিতে বললেন৷
24فلما ابتدأ في المحاسبة قدم اليه واحد مديون بعشرة آلاف وزنة.
24তিনি যখন হিসাব নিতে শুরু করলেন, তখন তাদের মধ্যে একজন লোককে আনা হল য়ে রাজার কাছে দশ হাজার রৌপ্যমুদ্রা ধারত৷
25واذ لم يكن له ما يوفي أمر سيده ان يباع هو وامرأته واولاده وكل ما له ويوفى الدين.
25কিন্তু তার সেই ঋণ শোধ করার ক্ষমতা ছিল না৷ তখন সেইমনিব রাজা হুকুম করলেন য়েন সেইলোকটাকে তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েকে আর তার যা কিছু আছে সমস্ত বিক্রি করে পাওনা আদায় করা হয়৷
26فخر العبد وسجد له قائلا يا سيد تمهل عليّ فاوفيك الجميع.
26‘তাতে সেইদাস মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে মনিবের পা ধরে বলল, ‘আমার ওপর ধৈর্য্য ধরুন, আমি আপনার সমস্ত ঋণই শোধ করে দেব’
27فتحنن سيد ذلك العبد واطلقه وترك له الدين.
27সেইকথা শুনে সেই দাসের প্রতি মনিবের অনুকম্পা হল, তিনি তার সব ঋণ মকুব করে দিয়ে তাকে মুক্ত করে দিলেন৷
28ولما خرج ذلك العبد وجد واحدا من العبيد رفقائه كان مديونا له بمئة دينار. فامسكه واخذ بعنقه قائلا أوفني ما لي عليك.
28‘কিন্তু সেইদাস ছাড়া পেয়ে বাইরে গিয়ে তার একজন সহকর্মীর দেখা পেল, য়ে তার কাছে প্রায় একশো মুদ্রা ধারত৷ সেই দাস তখন তার গলাটিপে ধরে বলল, ‘তুই য়ে টাকা ধার করেছিস তা শোধ কর৷’
29فخرّ العبد رفيقه على قدميه وطلب اليه قائلا تمهل عليّ فاوفيك الجميع.
29‘তখন তার সহকর্মী তার সামনে উপুড় হয়ে অনুনয় করে বলল, ‘আমার প্রতি ধৈর্য্য ধর৷ আমি তোমার সব ঋণ শোধ করে দেব৷’
30فلم يرد بل مضى والقاه في سجن حتى يوفي الدين.
30কিন্তু সে তাতে রাজী হল না, বরং ঋণ শোধ না করা পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটকে রাখল৷
31فلما رأى العبيد رفقاؤه ما كان حزنوا جدا وأتوا وقصّوا على سيدهم كل ما جرى.
31তার অন্য সহকর্মীরা এইঘটনা দেখে খুবইদুঃখ পেল, তাই তারা গিয়ে তাদের মনিবের কাছে যা যা ঘটেছে সব জানাল৷
32فدعاه حينئذ سيده وقال له. ايها العبد الشرير كل ذلك الدين تركته لك لانك طلبت اليّ.
32‘তখন সেই মনিব তাকে ডেকে বললেন, ‘তুমি দুষ্ট দাস! তুমি আমায় অনুরোধ করলে আর আমি তোমার সব ঋণ মকুব করে দিলাম৷
33أفما كان ينبغي انك انت ايضا ترحم العبد رفيقك كما رحمتك انا.
33আমি য়েমন তোমার প্রতি দয়া দেখিয়েছিলাম তেমনি তোমার সহকর্মীর প্রতিও কি তোমার দয়া করা উচিত ছিল না?’
34وغضب سيده وسلمه الى المعذبين حتى يوفي كل ما كان له عليه.
34তখন তার মনিব ক্রুদ্ধ হয়ে সমস্ত ঋণ শোধ না করা পর্যন্ত তাকে শাস্তি দিতে কারাগারে দিয়ে দিলেন৷
35فهكذا ابي السماوي يفعل بكم ان لم تتركوا من قلوبكم كل واحد لاخيه زلاته
35‘তোমরা প্রত্যেকে যদি তোমাদের ভাইকে অন্তর দিয়ে ক্ষমা না কর, তবে আমার স্বর্গের পিতাও তোমাদের প্রতি ঠিক ঐভাবে ব্যবহার করবেন৷’