1حينئذ خاطب يسوع الجموع وتلاميذه
1এরপর যীশু লোকদের ও তাঁর শিষ্যদের বললেন,
2قائلا. على كرسي موسى جلس الكتبة والفريسيون.
2‘মোশির বিধি-ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দেবার অধিকার ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীদের আছে৷
3فكل ما قالوا لكم ان تحفظوه فاحفظوه وافعلوه. ولكن حسب اعمالهم لا تعملوا لانهم يقولون ولا يفعلون.
3তাই তারা যা যা বলে, তা তোমরা করো এবং মেনে চলো: কিন্তু তারা যা করে তোমরা তা করো না৷ আমি একথা বলছি, কারণ তারা যা বলে তারা তা করে না৷
4فانهم يحزمون احمالا ثقيلة عسرة الحمل ويضعونها على اكتاف الناس وهم لا يريدون ان يحركوها باصبعهم.
4তারা ভারী ভারী বোঝা যা বওয়া কঠিন, তা লোকদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়; কিন্তু সেগুলো সরাবার জন্য নিজেরা একটা আঙ্গুলও নাড়াতে চায় না৷
5وكل اعمالهم يعملونها لكي تنظرهم الناس. فيعرضون عصائبهم ويعظمون اهداب ثيابهم.
5‘তারা যা কিছু করে সবই লোক দেখানোর জন্য৷ তারা শাস্ত্রের পদ লেখা তাবিজ বড় করে তৈরী করে, আর নিজেদের ধার্মিক দেখাবার জন্য পোশাকের প্রান্তে লম্বা লম্বা ঝালর লাগায়৷
6ويحبون المتكأ الاول في الولائم والمجالس الاولى في المجامع.
6তারা ভোজসভায় সম্মানের জায়গায় এবং সমাজ-গৃহে গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসতে ভালবাসে৷
7والتحيات في الاسواق وان يدعوهم الناس سيدي سيدي.
7তারা হাটে-বাজারে লোকদের কাছ থেকে সম্মানসূচক অভিবাদন ও ‘গুরু’ ডাক শুনতে খুবইভালবাসে৷
8واما انتم فلا تدعوا سيدي لان معلمكم واحد المسيح وانتم جميعا اخوة.
8‘কিন্তু তোমরা দেখো, লোকে য়েন তোমাদের ‘শিক্ষক’ বলে না ডাকে, কারণ একজনই তোমাদের শিক্ষক, আর তোমরা সকলে পরস্পর ভাই বোন৷
9ولا تدعوا لكم ابا على الارض لان اباكم واحد الذي في السموات.
9এই পৃথিবীতে কাউকে ‘পিতা’ বলে ডেকো না, কারণ তোমাদের পিতা একজনই, তিনি স্বর্গে থাকেন৷
10ولا تدعوا معلمين لان معلمكم واحد المسيح.
10কেউ য়েন তোমাদের ‘আচার্য্য় বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের আচার্য়্য় একজনই, তিনি খ্রীষ্ট৷
11واكبركم يكون خادما لكم.
11তোমাদের মধ্যে য়ে সব থেকে শ্রেষ্ঠ, সে তোমাদের সেবক হবে৷
12فمن يرفع نفسه يتضع ومن يضع نفسه يرتفع
12য়ে কেউ নিজেকে বড় করে, তাকে নত করা হবে৷ আর য়ে কেউ নিজেকে নত করে, তাকে উন্নত করা হবে৷
13لكن ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تغلقون ملكوت السموات قدام الناس فلا تدخلون انتم ولا تدعون الداخلين يدخلون.
13‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! তোমরা লোকদের জন্য স্বর্গরাজ্যের দরজা বন্ধ করে রাখছ, নিজেরাও তাতে প্রবেশ করো না, আর যাঁরা প্রবেশ করতে চেষ্টা করছে তাদেরও প্রবেশ করতে দিচ্ছ না৷
14ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تأكلون بيوت الارامل. ولعلة تطيلون صلواتكم. لذلك تأخذون دينونة اعظم.
14৷
15ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تطوفون البحر والبر لتكسبوا دخيلا واحدا. ومتى حصل تصنعونه ابنا لجهنم اكثر منكم مضاعفا.
15‘ধিক ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! একজন লোককে নিজেদের ধর্মমতে নিয়ে আসার জন্য তোমরা জলে স্থলে ঘুরে বেড়াও৷ আর সে যখন তোমাদের ধর্মে আসে, তখন তোমরা নিজেদের চেয়ে তাকে দ্বিগুণ নরকের উপযুক্ত করে তোল৷
16ويل لكم ايها القادة العميان القائلون من حلف بالهيكل فليس بشيء. ولكن من حلف بذهب الهيكل يلتزم.
16‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমর ভণ্ড! তোমরা নিজেরা অন্ধ অথচ অন্যদের পথ দেখাও৷ তোরা বলে থাক, ‘কেউ যদি মন্দিরের দিব্যি দেয়, তবে তাতে কিছু এসে যায় না৷ কিন্তু কেউ যদি মন্দিরের সোনার দিব্যি দেয়, তবে সে সেইশপথে বাঁধা পড়ল; তাকে অবশ্যইতা পূরণ করতে হবে৷’
17ايها الجهال والعميان ايما اعظم الذهب ام الهيكل الذي يقدس الذهب.
17মূর্খ অন্ধের দল! কোনটা শ্রেষ্ঠ, মন্দিরের সোনা অথবা মন্দির, যা সেই সোনাকে পবিত্র করে?
18ومن حلف بالمذبح فليس بشيء. ولكن من حلف بالقربان الذي عليه يلتزم.
18তোমরা আবার একথাও বলে থাক, ‘কেউ যদি যজ্ঞবেদীর নামে শপথ করে, তাহলে সেইশপথ রক্ষা করার জন্য তার কোন বাধ্যবাধকতা নেই ৷ কিন্তু কেউ যদি যজ্ঞবেদীর ওপর য়ে নৈবেদ্য থাকে তার নামে শপথ করে, তবে তার শপথ রক্ষা করার জন্য সে দায়বদ্ধ রইল৷’
19ايها الجهال والعميان ايما اعظم القربان أم المذبح الذي يقدس القربان.
19তোমরা অন্ধের দল! কোনটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ, যজ্ঞবেদীতে নৈবেদ্য অথবা বেদী, যা তার ওপরের নৈবেদ্যকে পবিত্র করে?
20فان من حلف بالمذبح فقد حلف به وبكل ما عليه.
20তাই যখন কেউ যজ্ঞবেদীর নামে শপথ করে, তখন সে যজ্ঞবেদীর ওপর যা কিছু থাকে সে সব কিছুরইবিষয়ে শপথ করে৷
21من حلف بالهيكل فقد حلف به وبالساكن فيه.
21আর কেউ যখন মন্দিরের নামে শপথ করে, তখন সে জায়গা ও তার মধ্যে যিনি থাকেন, তাঁর নামেও শপথ করে৷
22ومن حلف بالسماء فقد حلف بعرش الله وبالجالس عليه.
22আর যদি কোন লোক স্বর্গের নামে শপথ করে, তখন সে ঈশ্বরের সিংহাসন ও যিনি সেই সিংহাসনে বসে আছেন তাঁর নামেও শপথ করে৷
23ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تعشرون النعنع والشبث والكمون وتركتم اثقل الناموس الحق والرحمة والايمان. كان ينبغي ان تعملوا هذه ولا تتركوا تلك.
23‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! তোমরা পুদিনা, মৌরী ও জিরার দশভাগের একভাগ ঈশ্বরকে দিয়ে থাক অথচ ন্যায়, দযা ও বিশ্বস্ততা, ব্যবস্থার এই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা অবহেলা করে থাক৷ আগের ঐ বিষয়গুলি পালন করার সঙ্গে সঙ্গে পরের এই বিষয়গুলি পালন করাও তোমাদের উচিত৷
24ايها القادة العميان الذين يصفّون عن البعوضة ويبلعون الجمل
24তোমরা অন্ধ পথপ্রদর্শক, তোমরা মশা ছেঁকে ফেল, কিন্তু উট গিলে থাক৷
25ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تنقون خارج الكاس والصحفة وهما من داخل مملوآن اختطافا ودعارة.
25‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! তোমরা থালা বাটির বাইরেটা পরিষ্কার করে থাক, কিন্তু ভেতরটা থাকে লোভ ও আত্মতোষণে ভরা৷
26ايها الفريسي الاعمى نقّ اولا داخل الكاس والصحفة لكي يكون خارجهما ايضا نقيا.
26অন্ধ ফরীশী! প্রথমে তোমাদের পেয়ালার ভেতরটা পরিষ্কার কর, তাহলে গোটা পেয়ালার ভেতরে ও বাইরে উভয় দিকই পরিষ্কার হবে৷
27ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تشبهون قبورا مبيضة تظهر من خارج جميلة وهي من داخل مملوءة عظام اموات وكل نجاسة.
27‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! তোমরা চুনকাম করা কবরের মতো, যার বাইরেটা দেখতে খুব সুন্দর, কিন্তু ভেতরে মরা মানুষের হাড়গোড় ও সব রকমের পচা জিনিস রয়েছে৷
28هكذا انتم ايضا من خارج تظهرون للناس ابرارا ولكنكم من داخل مشحونون رياء واثما.
28তোমরা ঠিক সেইরকম, বাইরের লোকদের চোখে ধার্মিক, কিন্তু ভেতরে ভণ্ডামী ও দুষ্টতায় পূর্ণ৷
29ويل لكم ايها الكتبة والفريسيون المراؤون لانكم تبنون قبور الانبياء وتزيّنون مدافن الصديقين.
29‘ধিক্ ব্যবস্থার শিক্ষক ও ফরীশীর দল, তোমরা ভণ্ড! তোমরা ভাববাদীদের জন্য স্মৃতিসৌধ গাঁথ ও ঈশ্বর ভক্ত লোকদের কবর সাজাও,
30وتقولون لو كنا في ايام آبائنا لما شاركناهم في دم الانبياء.
30আর বলে থাক, ‘আমরা যদি আমাদের পূর্বপুরুষদের সময়ে থাকতাম, তবে ভাববাদীদেব হত্যা করার জন্য তাদের সাহায্য করতাম না৷’
31فانتم تشهدون على انفسكم انكم ابناء قتلة الانبياء.
31এতে তোমরা নিজেদের বিষয়েই সাক্ষ্য দিচ্ছ য়ে, ভাববাদীদের যাঁরা হত্যা করেছিল তোমরা তাদেরই বংশধর৷
32فاملأوا انتم مكيال آبائكم.
32তাহলে যাও তোমাদের পূর্বপুরুষেরা যা শুরু করে গেছে তোমরা তার বাকি কাজ শেষ করো৷
33ايها الحيّات اولاد الافاعي كيف تهربون من دينونة جهنم.
33সাপ, বিষধর সাপের বংশধর! কি করে তোমরা ঈশ্বরের হাত থেকে রক্ষা পাবে? তোমরা দোষী প্রমাণিত হবে ও নরকে যাবে৷
34لذلك ها انا ارسل اليكم انبياء وحكماء وكتبة فمنهم تقتلون وتصلبون ومنهم تجلدون في مجامعكم وتطردون من مدينة الى مدينة.
34তাই আমি তোমাদের বলছি, আমি তোমাদের কাছে য়ে ভাববাদী, জ্ঞানীলোক ও শিক্ষকদের পাঠাচ্ছি তোমরা তাদের কারো কারোকে হত্যা করবে, আর কাউকে বা ক্রুশে দেবে, কাউকে বা তোমরা সমাজ-গৃহে চাবুক মারবে৷ এক শহর থেকে অন্য শহরে তোমরা তাদের তাড়া করে ফিরবে৷
35لكي يأتي عليكم كل دم زكي سفك على الارض من دم هابيل الصدّيق الى دم زكريا بن برخيا الذي قتلتموه بين الهيكل والمذبح.
35এই ভাবে নির্দোষ হেবলের রক্তপাত থেকে শুরু করে বরখায়ার পুত্র সখরিয়, যাকে তোমরা মন্দিরের পবিত্র স্থান ও যজ্ঞবেদীর মাঝখানে হত্যা করেছিলে, সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত যত নির্দোষ ব্যক্তির রক্ত মাটিতে ঝরে পড়েছে, সেই সমস্তের দায় তোমাদের ওপরে পড়বে৷
36الحق اقول لكم ان هذا كله ياتي على هذا الجيل
36আমি তোমাদের সত্যি বলছি, এই যুগের লোকদের ওপর ঐ সবের শাস্তি এসে পড়বে৷’
37يا اورشليم يا اورشليم يا قاتلة الانبياء وراجمة المرسلين اليها كم مرة اردت ان اجمع اولادك كما تجمع الدجاجة فراخها تحت جناحيها ولم تريدوا.
37‘হায় জেরুশালেম, জেরুশালেম! তুমি, তুমিই ভাববাদীদের হত্যা করে থাক, আর তোমার কাছে ঈশ্বর যাদের পাঠান তাদের পাথর মেরে থাক৷ মুরগী য়েমন তার বাচ্চাদের ডানার নীচে জড়ো করে, তেমনি আমি তোমার লোকদের কতবার আমার কাছে জড়ো করতে চেয়েছি, কিন্তু তোমরা রাজী হও নি৷
38هوذا بيتكم يترك لكم خرابا.
38এখন তোমাদের মন্দির পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকবে৷
39لاني اقول لكم انكم لا ترونني من الآن حتى تقولوا مبارك الآتي باسم الرب
39বাস্তবিক, আমি তোমাদের বলছি, য়ে পর্যন্ত না তোমরা বলবে, ‘ধন্য, তিনি যিনি প্রভুর নামে আসছেন, সে পর্যন্ত তোমরা আর আমাকে দেখতে পাবে না৷