1لا تدينوا لكي لا تدانوا.
1‘পরের বিচার করো না, তাহলে তোমার বিচারও কেউ করবে না৷
2لانكم بالدينونة التي بها تدينون تدانون. وبالكيل الذي به تكيلون يكال لكم.
2কারণ য়েভাবে তোমরা অন্যর বিচার কর, সেই ভাবে তোমাদেরও বিচার করা হবে; আর য়েভাবে তুমি মাপবে সেই ভাবে তোমার জন্যও মাপা হবে৷
3ولماذا تنظر القذى الذي في عين اخيك. واما الخشبة التي في عينك فلا تفطن لها.
3‘তোমার ভাইয়ের চোখে য়ে কুটো আছে কেবল তা-ইদেখছ; কিন্তু নিজের চোখের মধ্যে য়ে তক্তা আছে তা দেখতে পাও না?
4ام كيف تقول لأخيك دعني اخرج القذى من عينك وها الخشبة في عينك.
4যখন তোমার নিজের চোখেই একটা তক্তা রয়েছে তখন কিভাবে তোমার ভাইকে বলছ, ‘এস তোমার চোখ থেকে কুটোটা বের করে দিই?’
5يا مرائي اخرج اولا الخشبة من عينك. وحينئذ تبصر جيدا ان تخرج القذى من عين اخيك.
5ভণ্ড! প্রথমে তোমার নিজের চোখ থেকে তক্তাটা বের করে ফেল, তাহলে তোমার ভাইয়ের চোখ থেকে কুটোটা বের করার জন্য স্পষ্ট দেখতে পাবে৷
6لا تعطوا القدس للكلاب. ولا تطرحوا درركم قدام الخنازير. لئلا تدوسها بارجلها وتلتفت فتمزقكم
6‘কোন পবিত্র বস্তু কুকুরকে দিও না আর শুযোরের সামনে তোমাদের মুক্তো ছুঁড়ো না, তাহলে সে তা পায়ের তলায় মাড়িয়ে নষ্ট করবে ও তোমার দিকে ফিরে তোমায় আক্রমণ করবে৷
7اسألوا تعطوا. اطلبوا تجدوا. اقرعوا يفتح لكم.
7‘চাইতে থাক, তোমাদের দেওয়া হবে৷ খুঁজতে থাক, পাবে৷ দরজায় ধাক্কা দিতে থাক, তোমাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হবে৷
8لان كل من يسأل يأخذ. ومن يطلب يجد. ومن يقرع يفتح له.
8কারণ য়ে চাইতে থাকে সে পায়, য়ে খুঁজতে থাকে সে খুঁজে পায়, আর য়ে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে তার জন্য দরজা খুলে দেওয়া হয়৷
9ام اي انسان منكم اذا سأله ابنه خبزا يعطيه حجرا.
9তোমার ছেলে যদি তোমার কাছে রুটি চায়, তবে তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, য়ে তার সন্তানকে রুটির বদলে পাথরের টুকরো দেবে?
10وان سأله سمكة يعطيه حية.
10যদি সে একটা মাছ চায় তবে বাবা কি তার হাতে একটা সাপ তুলে দেবে? নিশ্চয় না৷
11فان كنتم وانتم اشرار تعرفون ان تعطوا اولادكم عطايا جيدة فكم بالحري ابوكم الذي في السموات يهب خيرات للذين يسألونه.
11তোমরা মন্দ হয়েও যদি তোমাদের সন্তানদের ভাল ভাল জিনিস দিতে জানো, তবে তোমাদের স্বর্গের পিতা ঈশ্বরের কাছে যাঁরা চায়, তাদের তিনি নিশ্চয়ই উত্কৃষ্ট জিনিস দেবেন৷
12فكل ما تريدون ان يفعل الناس بكم افعلوا هكذا انتم ايضا بهم. لان هذا هو الناموس والانبياء
12‘তাই অপরের কাছ থেকে তোমরা য়ে ব্যবহার প্রত্যাশা কর, তাদের প্রতিও তেমনি ব্যবহার কর৷ এটাই হল মোশির বিধি-ব্যবস্থা ও ভাববাদীদের শিক্ষার অর্থ৷
13ادخلوا من الباب الضيق. لانه واسع الباب ورحب الطريق الذي يؤدي الى الهلاك. وكثيرون هم الذين يدخلون منه.
13‘সংকীর্ণ দরজা দিয়ে সেই পথে প্রবেশ করো, য়ে পথ স্বর্গের দিকে নিয়ে যায়৷ য়ে পথ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় তার দরজা প্রশস্ত, পথও চওড়া, বহু লোক সেই পথেইচলছে৷
14ما اضيق الباب وأكرب الطريق الذي يؤدي الى الحياة. وقليلون هم الذين يجدونه
14কিন্তু য়ে পথ জীবনের দিকে গেছে তার দরজা সংকীর্ণ আর পথও দুর্গম, খুব অ’ লোকইতার সন্ধান পায়৷
15احترزوا من الانبياء الكذبة الذين يأتونكم بثياب الحملان ولكنهم من داخل ذئاب خاطفة.
15‘ভণ্ড ভাববাদীদের থেকে সাবধান৷ তারা তোমাদের কাছে নিরীহ মেষের ছদ্মবেশে আসে অথচ ভেতরে তারা হিংস্র নেকড়ে বাঘ৷
16من ثمارهم تعرفونهم. هل يجتنون من الشوك عنبا او من الحسك تينا.
16তাদের জীবনের ফল দেখেই তোমরা তাদের চিনতে পারবে৷ কেউ কি কাঁটাঝোপের মধ্যে থেকে দ্রাক্ষা বা শিয়ালকাঁটার ভেতর থেকেডুমুর পেতে পারে?
17هكذا كل شجرة جيدة تصنع اثمارا جيدة. واما الشجرة الردية فتصنع اثمارا رديّة.
17ঠিক সেই ভাবে প্রত্যেক ভাল গাছে ভাল ফলই ধরে, কিন্তু খারাপ গাছে খারাপ ফলইধরে৷
18لا تقدر شجرة جيدة ان تصنع اثمارا رديّة ولا شجرة رديّة ان تصنع اثمارا جيدة.
18ভাল গাছে খারাপ ফল এবং খারাপ গাছে ভাল ফল ধরতে পারে না৷
19كل شجرة لا تصنع ثمرا جيدا تقطع وتلقى في النار.
19য়ে গাছে ভাল ফল ধরে না তা কেটে আগুনে ফেলে দেওয়া হয়৷
20فاذا من ثمارهم تعرفونهم
20তাই আমি তোমাদের আবার বলছি, তারা যা করে তা দেখেইতোমরা তাদের চিনতে পারবে৷
21ليس كل من يقول لي يا رب يا رب يدخل ملكوت السموات. بل الذي يفعل ارادة ابي الذي في السموات.
21‘যাঁরা আমাকে ‘প্রভু, প্রভু’ বলে তাদের প্রত্যেকেইয়ে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে তা নয়৷ আমার স্বর্গের পিতার ইচ্ছা য়ে পালন করবে, কেবল সেই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে৷
22كثيرون سيقولون لي في ذلك اليوم يا رب يا رب أليس باسمك تنبأنا وباسمك اخرجنا شياطين وباسمك صنعنا قوات كثيرة.
22সেই দিন অনেকে আমায় বলবে, ‘প্রভু, প্রভু আমরা কি আপনার নামে ভাববাণী বলিনি? আপনার নামে আমরা কি ভূতদের তাড়াই নি? আপনার নামে আমরা কি অনেক অলৌকিক কাজ করিনি?’
23فحينئذ أصرّح لهم اني لم اعرفكم قط. اذهبوا عني يا فاعلي الاثم
23তখন আমি তাদের স্পষ্ট বলব, ‘আমি তোমাদের কখনও আপন বলে জানিনি, দুষ্টের দল! আমার সামনে থেকে দূর হও৷’
24فكل من يسمع اقوالي هذه ويعمل بها اشبهه برجل عاقل بنى بيته على الصخر.
24‘তাইবলি, য়ে কেউ আমার কথা শোনে ও তা পালন করে, সে এমন এক বুদ্ধিমান লোকের মতো য়ে পাথরের ভিতের ওপর তার বাড়ি তৈরী করল৷
25فنزل المطر وجاءت الانهار وهبت الرياح ووقعت على ذلك البيت فلم يسقط. لانه كان مؤسسا على الصخر.
25পরে বৃষ্টি নামল, বন্যা এল এবং প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাস বয়ে সেই বাড়ির গায়ে লাগল; কিন্তু সেই বাড়িটা ধসে পড়ল না, কারণ তা পাথরের ওপরে তৈরী করা হয়েছিল৷
26وكل من يسمع اقوالي هذه ولا يعمل بها يشبّه برجل جاهل بنى بيته على الرمل.
26আবার য়ে কেউ আমার এই সব কথা শুনে তা পালন না করে, সে একজন মূর্খ লোকের মতো, য়ে বালির উপরে বাড়ি তৈরী করেছিল৷
27فنزل المطر وجاءت الانهار وهبت الرياح وصدمت ذلك البيت فسقط. وكان سقوطه عظيما
27পরে বৃষ্টি নামল, বন্যা এল, আর ঝোড়ো বাতাস এসে তার বাড়িতে ধাক্কা মারল, তাতে বাড়িটা কি সাংঘাতিক ভাবেই না ধসে পড়ল৷’
28فلما اكمل يسوع هذه الاقوال بهتت الجموع من تعليمه.
28যীশু যখন এই সব কথা বলা শেষ করলেন, তখন জনতা তাঁর এই সব শিক্ষা শুনে হতবুদ্ধি হয়ে গেল৷
29لانه كان يعلّمهم كمن له سلطان وليس كالكتبة
29কারণ যীশু একজন ব্যবস্থার শিক্ষকের মতো শিক্ষা দিচ্ছিলেন না, বরং যার অধিকার আছে সেইরকম লোকের মতোইশিক্ষা দিচ্ছিলেন৷